মঙ্গলবার,  ০৬ ডিসেম্বর ২০২২

 

২২ অগ্রাহায়ণ ১৪২৯ ,  ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ভাওয়ালের কন্ঠ :: Bhawaler Kontho - ভাওয়ালের খবর

এবার গাজীপুরে নির্মিত সিনেমার বৈশ্বিক যাত্রা

প্রকাশিত: ১৯:৪৩, ১৯ নভেম্বর ২০২২

এবার গাজীপুরে নির্মিত সিনেমার বৈশ্বিক যাত্রা

ছবিটির একটি স্থিরচিত্র

এর আগে টঙ্গীর ‘আদিম’ পৌঁছেছিলো রাশিয়া হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে। এবার খবর এলো গাজীপুরে নির্মিত ‘আম-কাঁঠালের ছুটি’-ও শুরু করছে তেমনই এক বৈশ্বিক যাত্রা! প্রথমটির নির্মাতা যুবরাজ শামীম হলেও এবারের ছবিটি বানিয়েছেন মোহাম্মদ নূরুজ্জামান। তবে যোগসূত্র রয়েছে দুই নির্মাতার মধ্যে। প্রথম ছবির কর্তা নতুন ছবিটির প্রধান সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন!

সেই সূত্রে যুবরাজ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, আগামী ২৬ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অনুষ্ঠেয় জগজা নেটপ্যাক এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভালের ১৭তম আসরে অংশ নিচ্ছে তাদের শিশুতোষ ছবি ‘আম-কাঁঠালের ছুটি’। শরীফ উদ্দিন সবুজের ছোটগল্প অবলম্বনে গাজীপুরের হারবাইদ সংলগ্ন প্রায় পঁচিশ-ত্রিশ কিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়ে থাকা লোকেশনে ধারণ করা হয়েছে এই ছবিটি। যা শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের সময় লেগেছে প্রায় ৭ বছর! 

নির্মাতা মোহাম্মদ নূরুজ্জামান জানান, জগজা উৎসবের এশিয়ান পারস্পেক্টিভ বিভাগ থেকে অফিসিয়াল সিলেকশন পেয়েছে তার ‘আম-কাঁঠালের ছুটি’। এশিয়া মহাদেশের প্রতিষ্ঠিত এবং উদীয়মান চলচ্চিত্র নির্মাতাদের নির্মিত চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শিত হবে এই আয়োজনে।

ছবিটির আরেকটি স্থিরচিত্র

কারও সাথে মিশতে না পারা ৮ বছর বয়সী একটি শহুরে ছেলে গ্রীষ্মের ছুটিতে গ্রামে বেড়াতে যায়। সেখানে গিয়ে কিভাবে নতুন এক জগৎ আবিষ্কার করে ছেলেটা, তারই আখ্যান এই পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এর উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছে বেশ ক’জন শিশু- লিয়ন, জুবায়ের, আরিফ, হালিমা ও তানজিল। আরও ছিলেন ফাতেমা, কামরুজ্জামান কামরুল, আব্দুল হামিদ প্রমুখ। যারা প্রত্যেকেই টঙ্গী-গাজীপুর অঞ্চলের বাসিন্দা। 

আগামী ২৭ নভেম্বর ইন্দোনেশিয়ান সময় সন্ধ্যা ৭টায় ‘আম-কাঁঠালের ছুটি’র ইন্দোনেশিয়ান প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ২৯ নভেম্বর সন্ধ্যা ৮টায় থাকবে সিনেমাটির আরও একটি প্রদর্শনী।

ছবিটির ধরন প্রসঙ্গে নির্মাতা নুরুজ্জামান বলেন, ‘গত শতাব্দীর সত্তর-আশি কিংবা মধ্য নব্বইয়ের দশকে যারা শৈশব-কৈশোর পার করেছেন, তারা তাদের নস্টালজিক যাপিত জীবন খুঁজে পাবেন এই ছবিতে। সেই সাথে হারিয়ে যাওয়া কিংবা হারাতে বসা প্রাকৃতিক পরিবেশ আর আমাদের নিজস্ব লোকজ সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হবে নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোররা। আমার চেষ্টা ছিলো এটুকুই।’ 

ছবিটির আরেকটি স্থিরচিত্র 

সিনেমাকার প্রযোজিত এই চলচ্চিত্রটির পিছনে রয়েছে দীর্ঘ সাত বছরের পরিশ্রম আর অধ্যবসায়ের গল্প। সঙ্গে ছিলেন একঝাঁক অপেশাদার অভিনয়শিল্পী। সিনেমাটোগ্রাফি করেছেন নির্মাতা নিজেই, সাথে ছিলেন ম্যাক সাব্বির। প্রযোজনা ও চিত্রনাট্যের পাশাপাশি সাউন্ড ডিজাইনও করেছেন নির্মাতা নিজেই। সঙ্গে ছিলেন ‘আদিম’-খ্যাত যুবরাজ শামীম। 

নির্মাতা মোহাম্মদ নূরুজ্জামান জানান, জগজা নেটপ্যাক এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভালে যোগ দিতে ২৫ নভেম্বর রাতে জাকার্তার উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন তিনি।পোস্টার

শেয়ার করুন:

সর্বশেষ

সর্বাধিক জনপ্রিয়