মঙ্গলবার,  ০৬ ডিসেম্বর ২০২২

 

২২ অগ্রাহায়ণ ১৪২৯ ,  ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ভাওয়ালের কন্ঠ :: Bhawaler Kontho - ভাওয়ালের খবর

প্রতিদিন দুধ চা খাচ্ছেন? শরীরে কী প্রভাব পড়ছে জানুন

প্রকাশিত: ১৫:১৬, ১৫ নভেম্বর ২০২২

প্রতিদিন দুধ চা খাচ্ছেন? শরীরে কী প্রভাব পড়ছে জানুন

প্রতিদিন দুধ চা খাচ্ছেন? শরীরে কী প্রভাব পড়ছে জানুন

চিকিৎসকরা বলেন, দুধ চা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। প্রতিদিন দুধ চা খেলে ওজন বাড়তে পারে। সুতরাং এই পরিস্থিতিতে সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন আছে। মাথায় রাখতে হবে যে দুধ মেশানোর পাশাপাশি মানুষ আবার চিনি মেশান চায়ে। এই দুই মিলেমিশে চা হয়ে ওঠে হাই ক্যালোরি ফুড।

এক্ষেত্রে ফুল ক্রিম মিল্ক ও এক চা চামচ চিনি মেশানো এক কাপ চায়ে থাকে ৭০ ক্যালোরি। প্রতিদিন চার কাপ দুধ চা খেলে শরীর পায় ২৮০ ক্যালোরি। তাই ওজন যে বাড়বে, এটা আর নতুন বিষয় নয়।

>>আসলে দুধ চা বানানোর সময় বেশি করে ফোটাতে হয়। এক্ষেত্রে চা বেশি গরম করলে ট্যানিন বের হয়। ট্যানিন বেশি পরিমাণে খাওয়া শরীরের জন্য খারাপ। এছাড়া চায়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ধ্বংস হয়ে যায় এভাবে ফোটালে। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই এই দিকটা মাথায় রাখতে হবে।

>> হজমে সমস্যা থেকে শুরু করে বিপাকের নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই দুধ চা না খাওয়াই ভালো।

>> একান্তই দুধ চা ছাড়া না চলতে পারলে আপনাকে সতর্ক হতে হবে। এক্ষেত্রে দুধের চা হতে হবে ফ্যাট ছাড়া। বাজারে এমন দুধ কিনতে পাওয়া যায়। এছাড়া মাথায় রাখতে হবে যে আপনি খেতে পারবেন না চিনি। সেক্ষেত্রে চিনির বদলে সুগার ফ্রি খেতে পারেন।

>> কোনো গুঁড়া দুধ ব্যবহার করবেন না। কারণ গুঁড়া দুধে চিনি মেশানো থাকে। এই নিয়ম মেনে চলুন। এভাবেই ভালো থাকতে পারবেন।

>>আমাদের আশপাশে থাকা ভালো কিছু পানীয়ের মধ্যে অন্যতম হল গ্রিন টি। এই চা আপনার সমস্যা দ্রুত কমিয়ে দিতে পারে। তাই আপনি অবশ্যই খান গ্রিন টি। এই চায়ে রয়েছে ভালো পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটা শরীরের জন্য খুব ভালো। এক্ষেত্রে বিপাকের হার বাড়ানো, ওজন কমানোর মতো কাজে কার্যকরী গ্রিন টি। তাই এই চা অবশ্যই পান করুন। তবেই ভালো থাকতে পারবেন।

>> শুধু খাবার খেয়ে বা পানীয়ের মাধ্যমে আপনি ওজন কমাতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে করতে হবে ব্যায়াম। নিজের শারীরিক অবস্থা বজায় রেখে নিয়মিত আপনি ব্যায়াম করুন। কোন ব্যায়াম করবেন, তা নির্ভর করবে আপনার শরীরের উপর। হাঁটতে সকলে পারেন। সেক্ষেত্রে দিনে অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন। নিয়মিত হাঁটতে হবে। তবেই ওজন আপনার কমতে পারেন। নইলে সমস্যা গুরুতর দিকে চলে যাবে। তাই এই বিষয়টি মাথায় রাখুন।

শেয়ার করুন:

সর্বশেষ

সর্বাধিক জনপ্রিয়